Mohini Ekadashi 2021 (মোহিনী একাদশী ২০২১) এর সময়সূচি, ব্রত মাহাত্ম্য, পূজার নিয়ম, পারনের সময়

Mohini Ekadashi 2021 (মোহিনী একাদশী ২০২১) এর সময়সূচি, ব্রত মাহাত্ম্য, পূজার নিয়ম, পারনের সময়: আগামী ২২ মে ২০২১ মোহিনী একাদশী (ইংরেজী: Mohini Ekadashi)। আপনারা যদি এই একাদশীর সময়সূচি, ব্রত মাহাত্ম্যসহ বিস্তারিত তথ্য জানতে চান, তাহলে এখান থেকে সকল তথ্য জানতে পারবেন। Let’s check Mohini Ekadoshi Dates.

Mohini Ekadashi 2021

Do you want to know Mohini Ekadashi 2021 Date, Puja Rules, Parna Time? Well, today you will get A to Z information about the Mohini Ekadhosi.

মোহিনী একাদশী ২০২১

যে যেখান থেকে আমাদের ওয়েবসাইট সনাতনী ডট কম (Sonatoni.Com) এ প্রবেশ করেছেন, সবাইকে জানাই প্রণাম। আশা করি আপনারা সকলেই ভালো আছেন।

আজকে অনেকেই হয়তো ”মোহিনী একাদশী ২০২১” সময়, পূজার নিয়ম ও পারনের সময় জানার জন্য সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করতেছেন। আপনিও যদি তাদের মধ্যে একজন হয়ে থাকেন, তাহলে কোন চিন্তার প্রয়োজন নেই। এখান থেকেই আপনি প্রয়োজীনয় সকল তথ্য পাবেন। কেননা, আজকে আমরা ২০২১ সালের মোহিনী একাদশীর সময়সূচি তুলে ধরেছি। Mohini Ekadoshi Time Table.

মোহিনী একাদশী ২০২১ তিথি

আমরা এখানে বাংলাদেশের সময় অনুযায়ী পূজার সময় তুলে ধরেছি। কিন্তু আপনি যদি মনে করেন যে, আমি ভারতে বসবাস করি, তাহলে আমাদের সময় কি? অথবা বাংলাদেশ ও ভারতের সময় কি এক? উত্তর: না! তবে আমরা পৃথকভাবে সময় তুলে ধরেছি।

আপনারা হয়তো অনেকেই জানেন, বাংলাদেশ আর ভারতের সময়ে ৩০ মিনিটের পার্থক্য রয়েছে। আপনি যদি ভারতে বসবাস করেন, তাহলে বাংলাদেশের সময় থেকে ৩০ মিনিট বিয়োগ করলে ভারতের সময় পাবেন। অর্থাৎ এখন যদি বাংলাদেশ সময় ১০ মে ২০২১ রাত ১১ টা হয়, তাহলে ভারতের সময় হবে ১০ মে ২০২১ রাত ১০ টা বেজে ৩০ মিনিট। আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন।

তাই আর দেরি না করে দেখে নেওয়া যাক মোহিনী একাদশীর সময়সূচি!

মোহিনী একাদশী ২০২১ সময়সূচি

Let’s check Mohini Ekadashi 2021 from here.

  • বাংলাদেশ সময়:

২০২১ সালে মোহিনী একাদশী তিথি শুরু হবে: ২২ মে সকাল ৯ টা ৪৫ মিনিটে

তিথি শেষ হবে: ২৩ মে ২০২১ সকাল ৭ টা ১২ মিনিটে

  • ভারতের সময় অনুযায়ী তিথি:

একাদশী তিথি শুরু হবে: ২২ মে সকাল ৯ টা ১৫ মিনিটে

তিথি শেষ হবে: ২৩ মে ২০২১ সকাল ৬ টা ৪২ মিনিটে

নোট: ইস্কন’মতে ২০২১ সালের মোহিনী একাদশীর সময়সূচি একই। তবে পারনের সময় একটু ভিন্ন

পারনের সময়

পারানা (Parana Time) সময় যেকোন উপবাসের জন্য গুরুত্বপূর্ন বিষয়। তাই আমরা এই পোষ্টের মাধ্যমে পরন এর সময় তুলে ধরেছি। নিচে থেকে সময় দেখে নিতে পারেন;

  • বাংলাদেশ সময়:

মোহিনী একাদশী পারনের সময়: ২৩ মে দুপুর ১ টা ১৬ মিনিট থেকে সকাল ৩ টা ৫৬ মিনিট।

  • ভারতের সময়:

পারনের সময়: ২৩ মে দুপুর ১২ টা ৪৬ মিনিট থেকে সকাল ৩ টা ২৬ মিনিট।

ইস্কন মতে পারনের সময়:

পারনের সময়: ২৪ মে সকাল ৫ টা ১৩ মিনিট থেকে সকাল ০৯ টা ৪১ মিনিট!

ভারতের জন্য সময়: ২৪ মে সকাল ৪ টা ৪৩ মিনিট থেকে সকাল ০৯ টা ১১ মিনিট!

এখান থেকে জেনে নিন একাদশী পারন মন্ত্র

ব্রত মাহাত্ম্য মোহিনী একাদশী

কুর্মপুরাণে বৈশাখ শুক্লপক্ষের ‘মোহিনী’ একাদশীর ব্রত মাহাত্ম্য বর্ণনা করা হয়েছে। মহারাজ যুধিষ্ঠির বললেন- ‘হে জনার্দন! বৈশাখ শুক্লপক্ষীয় একাদশীর কি নাম, কি ফল, কি বিধি- এসকল কথা আমার নিকট বর্ণনা করুন।’
উত্তরে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বললেন- হে ধর্মপুত্র! আপনি আমাকে যে প্রশ্ন করেছেন পূর্বে শ্রীরামচন্দ্রও বশিষ্ঠের কাছে এই একই প্রশ্ন করেছিলেন।

তিনি জিজ্ঞাসা করেছিলেন- হে মুনিবর! আমি জনকনন্দিনী সীতার বিরহজনীত কারণে বহু দুঃখ পাচ্ছি। তাই একটি উত্তম ব্রতের কথা আমাকে বলুন। যার দ্বারা সর্বপাপ ক্ষয় ও সর্বদুঃখ বিনষ্ট হয়।

এই কথা শুনে বশিষ্ঠদেব বললেন- হে রামচন্দ্র! তুমি উত্তম প্রশ্ন করেছ। যদিও তোমার নামগহ্রহণেই মানুষ পবিত্র হয়ে থাকে। তবুও লোকের মঙ্গলের জন্য তোমার কাছে সর্বশ্রেষ্ঠ ও পরম পবিত্র একটি ব্রতের কথা বলছি।

বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষীয়া একাদশী ‘মোহিনী’ নামে প্রসিদ্ধা। এই ব্রত প্রভাবে মানুষের সকল পাপ, দুঃখ ও মোহজাল অচিরেই বিনষ্ট হয়। তাই মানুষের উচিত সকল পাপক্ষয়কারী ও সর্বদুঃখবিনাশী এই একাদশী ব্রত পালন করা। একাগ্রচিত্তে তার মহিমা তুমি শ্রবণ কর। এই কথা শ্রবণমাত্রেই সমস্ত পাপ বিনষ্ট হয়।

পবিত্র সরস্বতী নদীর তীরে ভদ্রাবতী নামে এক সুশোভনা নগরী ছিল। চন্দ্রবংশজাত ধৃতিমান নামে এক রাজা সেখানে রাজত্ব করতেন। সেই নগরীতেই ধনপাল নামে এক বৈশ্য বাস করতেন।  তিনি ছিলেন পুণ্যকর্মা ও সমৃদ্ধশালী ব্যক্তি। তিনি নলকূপ, জলাশয়, উদ্যান, মঠ ও গৃহ ইত্যাদি নির্মাণ করে দিতেন।

তিনি ছিলেন বিষ্ণুভক্তি পরায়ণ ও শান্ত প্রকৃতির মানুষ।  সুমনা, দ্যুতিমান, মেধাবী, সুকৃতি ও ধৃষ্টবুদ্ধি নামে তার পাঁচজন পুত্র ছিল। পঞ্চম পুত্র ধৃষ্টবুদ্ধি ছিল অতি দুরাচারী। সে সর্বদা পাপকার্যে লিপ্ত থাকত।  পরস্ত্রী সঙ্গী, বেশ্যাসক্ত, লম্পট ও দ্যুতক্রীড়া প্রভৃতি পাপে সে অত্যন্ত আসক্ত ছিল। দেবতা, ব্রহ্মণ ও পিতামাতার সেবায় তার একেবারেই মতি ছিল না। সে অন্যায়কার্যে রত, দুষ্টস্বভাব ও পিতৃধন ক্ষয়কারক ছিল। সবসময় সে অভক্ষ ভক্ষণ ও সুরাপানে মত্ত থাকত।

পিতা ধনপাল একদিন পথ চলছিলেন। হঠাৎ তিনি দেখতে পেলেন ধৃষ্টবুদ্ধি এক বেশ্যার গলায় হাত রেখে নিঃসকোচে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তার নির্লজ্জ পুত্রকে এভাবে চৌরাস্তায় ভ্রমণ করতে দেখে তিনি অত্যন্ত মর্মাহত হলেন। এই কুস্বভাব দর্শনে ক্রুদ্ধ হয়ে তিনি তাকে গৃহ থেকে বার করে দিলেন। 

তার আত্মীয়-স্বজনও তাকে পরিত্যাগ করল। সে তখন নিজের অলংকারাদি বিক্রি করে জীবন অতিবাহিত করত। কিছুদিন এইভাবে চলার পর অর্থাভাব দেখা দিল। ধনহীন দেখে সেই বেশ্যাগণও তাকে পরিত্যাগ করল।

অন্নবস্ত্রহীন ধৃষ্টবুদ্ধি ক্ষুধা-তৃষ্ণায় অত্যন্ত কাতর হয়ে পড়ল। অবশেষে নিজের গ্রামে সে চুরি করতে শুরু করল। একদিন রাজপ্রহরী তাকে ধরে বন্দী করল। কিন্তু পিতার সম্মানার্থে তাকে মুক্ত করে দিল।  এভাবে বারকয়েক সে ধরা পড়ল ও ছাড়া পেল। কিন্তু তবুও সে চুরি করা বন্ধ করল না। তখন রাজা তাকে কারাগারে বদ্ধ করে রাখলেন। বিচারে সে কষাঘাত দন্ডভোগ করল। কারাভোগের পর অনন্য উপায় ধৃষ্টবুদ্ধি বনে প্রবেশ করল। সেখানে সে পশুপাখি বধ করে তাদের মাংস ভক্ষণ করে অতি দুঃখে পাপময় জীবন যাপন করতে লাগল।

দুষ্কর্মের ফলে কেউ কখনও সুখী হতে পারে না। তাই সে ধৃষ্টবুদ্ধি দিবারাত্রি দুঃখশোকে জর্জরিত হল। এভাবে অনেকদিন অতিবাহিত হল। কোন পুণ্যফলে সহসা একদিন সে কৌন্ডিন্য ঋষির আশ্রমে উপস্থিত হল।  


বৈশাখ মাসে ঋষিবর গঙ্গাস্নান করে আশ্রমের দিকে প্রত্যাবর্তন করছিলেন। শোকাকুল ধৃষ্টবুদ্ধি তার সম্মুখে উপস্থিত হল। ঘটনাক্রমে ঋষির বস্ত্র হতে একবিন্দু জল তার গায়ে পড়ল। সেই জলস্পর্শে তার সমস্ত পাপ দূর হল। হঠাৎ তার শুভবুদ্ধির উদয় হল।

ঋষির সামনে সে কৃতাঞ্জলিপুটে প্রার্থনা করতে লাগল  ‘হে ঋষিশ্রেষ্ঠ! যে পূণ্য প্রভাবে আমি এই ভীষণ দুঃখযন্ত্রণা থেকে মুক্তিলাভ করতে পারি, তা কৃপাকরে আমাকে বলুন।’

ঋষিবর বললেন-‘বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষে মোহিনী নামে যে প্রসিদ্ধ একাদশী আছে, তুমি সেই ব্রত পালন কর। এই ব্রতের ফলে মানুষের বহু জন্মার্জিত পর্বত পরিমাণ পাপরাশিও ক্ষয় হয়ে থাকে। মহামুনি বশিষ্ঠ বললেন-কৌন্ডিণ্য ঋষির উপদেশ শ্রবণ করে প্রশন্ন চিত্তে ধৃষ্টবুদ্ধি সেই ব্রত পালন করল।

হে মহারাজ রামচন্দ্র! এই ব্রত পালনে সে নিষ্পাপ হল। দিব্যদেহ লাভ করল। অবশেষে গরুড়ে আরোহন করে সকল প্রকার উপদ্রবহীন বৈকুন্ঠধামে গমন করল।  

হে রাজন, ত্রিলোকে মোহিনী ব্রত থেকে আর শ্রেষ্ঠ ব্রত নেই। যজ্ঞ, তীর্থস্থান, দান ইত্যাদি কোন পূণ্যকর্মই এই ব্রতের সমান নয়। এই ব্রত কথার শ্রবণ কীর্তনে সহস্র গোদানের ফল লাভ হয়।

Mohini Ekadashi 2021 Date

We know that Ekadashi (একাদশী) is the auspicious fasting day observed on the 11th Day. That’s why it is called Ekadashi. Mohini or Mohini Ekadashi is the fasting day observed on the 11th day of the Krishna Paksha (the waning phase of the moon) during the Bengali month of ‘Boishakh’ in the Hindu calendar. You can check the date from below.

Full Date and Timing of Mohini Ekadashi

If you fasting on Ekadashi and do not want to miss any of them, so you will be looking for Mohini Ekadashi 2021 Timing. One of our readers also asked the same question on our Facebook Page.

Now we are going to share the full date and time of Saphala Ekadashi 2021. As we already mentioned that, this Ekadashi celebrated the Bengali Month ‘Boishakh’ and the months of April to May as per the Gregorian calendar. We have added the festival date and timing here as per Dharma Sindhu. So, here is Saphala Ekadashi Time Table.

  • Festival Name: Mohini Ekadoshi (মোহিনী একাদশী)
  • Festival Date: 22 May 2021
  • Day: Saturday
  • Ekadashi Tithi Begins: 09:45 AM on 22 May 2021
  • Ekadashi Tithi Ends: 07:12 AM on 23 May 2021

So, that’s was the full date and timing for Sophola Ekadashi. We hope you guys will be successfully understood this. However, let’s check the Parna Time.

Mohini Ekadoshi 2021 Parna Time

Parna Time is the most important thing for every Ekadashi. That’s why we always try to share Parna Time of Saphala Ekadashi.

  • Parna Date: 23 May 2021
  • Parana Time: 01:16 PM to 03:56 PM

We hope you will be understood the parna time from the above discussion. Although, Ekadashi and Parna Time is simply different according to the ISKCON Rules.

About Mohini Ekadoshi

Conclusion:

So, this is all about Mohini Ekadashi 2021 Date, Parna Time for Bangladesh, India, and Nepal. We hope you guys will be successfully understood this article.

If you liked this article, so please try to share it with your friends. Thank you very much for being with Sonatoni.Com.

By Editorial Team

Thanks for visiting Sonatoni.Com.

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *